• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, তুলে ধরবেন নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা ডিএমপির উত্তরা ও ডিবি রমনা বিভাগে নতুন ডিসি সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন ডিসির দরবারে অসহায়ের ভিড়, সমাধান নিয়ে ফিরছেন হাসিমুখে ওবায়দুল কাদেরের ‘পার্টনার আমলা’ সাবেক সচিব আমিন উল্লাহ নুরীকে পুনর্বাসিত করল ইউনাইটেড গ্রুপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সাক্ষাৎ: আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার তাগিদ ‎চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে—পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম

সিলেটে এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশকাল : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেটের সংশ্লিষ্ট আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্র জানায়, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন নির্যাতনের শিকার তরুণী, তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের এক শিক্ষক এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে কয়েকজন যুবক তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এ সময় দম্পতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।

ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হলে মোট আটজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচারাধীন হয়।

ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা আসামিদের তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category