• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চার হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরি করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিতর্কিত সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ পুলিশের আট কর্মকর্তাকে বরখাস্ত এলজিআরডি মন্ত্রী মঈন খানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি: প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াতে সাংবাদিকতা ও নেতৃত্বে সাফল্য । গাজীপুরের কৃতী সন্তান হাজ্বী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সরকার অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত মোহাম্মাদ আবদুল মতিন মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ চারু ইন্টেরিয়র এন্ড আর্কিটেক্টস দেশব্যাপী দ্রুতই বিস্তৃতি ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

সিলেটে এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশকাল : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেটের সংশ্লিষ্ট আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্র জানায়, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন নির্যাতনের শিকার তরুণী, তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের এক শিক্ষক এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে কয়েকজন যুবক তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এ সময় দম্পতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।

ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হলে মোট আটজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচারাধীন হয়।

ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা আসামিদের তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category