• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চার হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরি করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিতর্কিত সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ পুলিশের আট কর্মকর্তাকে বরখাস্ত এলজিআরডি মন্ত্রী মঈন খানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি: প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াতে সাংবাদিকতা ও নেতৃত্বে সাফল্য । গাজীপুরের কৃতী সন্তান হাজ্বী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সরকার অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত মোহাম্মাদ আবদুল মতিন মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ চারু ইন্টেরিয়র এন্ড আর্কিটেক্টস দেশব্যাপী দ্রুতই বিস্তৃতি ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহব্বত জান চৌধুরীর ইন্তেকাল

এম এম ওয়াশীম খোকন
প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মেজর জেনারেল (অব.) মহব্বত জান চৌধুরী মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

 

সোমবার দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) ক্লাবের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আবদুল হক।

 

এদিন উত্তরা-৪ নম্বর সেক্টরে মাগরিবের নামাজের পর জানাজা শেষে সামরিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

 

এরশাদের সময়ে সেনাবাহিনী থেকে এসে মন্ত্রী হওয়া মেজর জেনারেল মহব্বত জান পরে রাজনীতিতেও নাম লেখান। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এ সেনা কর্মকরাতা ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন।

 

মেজর জেনারেল থাকার সময় ১৯৮২ সালে তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করেন এরশাদ; ওইবছরের জুলাই থেকে ১৯৮৩ সালের জুলাই পর্যন্ত একবছর এ মন্ত্রণালয় সামলান মহব্বত জান।

 

গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে এরশাদ-সমর্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও গ্রুপ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি আলোচনায় এসেছিলেন। এসব সংগঠনের মধ্যে ছিল এরশাদের সামরিক শাসনকে সমর্থন করা জাতীয় ফ্রন্ট্র। ওই সময়কার বিদ্যমান ও নবগঠিত কয়েকটি দলের সমন্বয়ে এ জোট গঠন করা হয়েছিল, যেটি পরে জাতীয় পার্টিতে রূপ নেয়। সেনাবাহিনীতে কর্মরত অবস্থাতেই তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হন এবং পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৮৬ এর নির্বাচনে তিনি ফরিদপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

১৯৮২ সালে সামরিক শাসক হিসেবে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসা এরশাদের মন্ত্রিসভায় কর্মরত সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করা সেনা কর্মকর্তা।

 

গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া মহব্বত জান চৌধুরী মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেসের পরিচালকও ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category