• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, তুলে ধরবেন নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা ডিএমপির উত্তরা ও ডিবি রমনা বিভাগে নতুন ডিসি সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন ডিসির দরবারে অসহায়ের ভিড়, সমাধান নিয়ে ফিরছেন হাসিমুখে ওবায়দুল কাদেরের ‘পার্টনার আমলা’ সাবেক সচিব আমিন উল্লাহ নুরীকে পুনর্বাসিত করল ইউনাইটেড গ্রুপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সাক্ষাৎ: আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার তাগিদ ‎চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে—পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম

৫ আগস্ট কীভাবে আন্দোলনকারীদের কাছে ‘৩৬ জুলাই’ হয়ে উঠল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশকাল : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

ক্যালেন্ডারের হিসাবে দিনটি ৫ আগস্ট। কিন্তু ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের কাছে দিনটি পরিচিতি পায় ‘৩৬ জুলাই’ নামে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে সরকারবিরোধী এক দফা আন্দোলনে রূপ নেওয়ার ধারাবাহিকতায় এই প্রতীকী নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

২০২৪ সালের ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। ১৬ জুলাই আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় কয়েকজন নিহত হওয়ার পর আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি, সংঘর্ষ ও প্রাণহানির মধ্য দিয়ে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়। পরে কোটা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এলেও আন্দোলন একপর্যায়ে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রূপ নেয়।

আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছে ‘জুলাই শেষ হবে না’। সেই প্রতীকী অবস্থান থেকেই আগস্ট মাসের দিনগুলোকে জুলাইয়ের ধারাবাহিকতা হিসেবে গণনা করা শুরু হয়।

সে অনুযায়ী, ১ আগস্টকে ‘৩২ জুলাই’ নয়, ‘৩১ জুলাই’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এরপর ৪ আগস্ট ‘৩৪ জুলাই’ এবং ৫ আগস্টকে ‘৩৬ জুলাই’ নামে অভিহিত করা হয়। ওই দিনই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসে।

আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, ‘৩৬ জুলাই’ কেবল একটি প্রতীকী তারিখ নয়; এটি আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ, আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতির একটি প্রতীক। তাদের মতে, এই নামকরণ গণ-আন্দোলনের ইতিহাসে একটি স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category