• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চার হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরি করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিতর্কিত সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ পুলিশের আট কর্মকর্তাকে বরখাস্ত এলজিআরডি মন্ত্রী মঈন খানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি: প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াতে সাংবাদিকতা ও নেতৃত্বে সাফল্য । গাজীপুরের কৃতী সন্তান হাজ্বী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সরকার অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত মোহাম্মাদ আবদুল মতিন মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ চারু ইন্টেরিয়র এন্ড আর্কিটেক্টস দেশব্যাপী দ্রুতই বিস্তৃতি ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজের খবরে যে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদরদপ্তর

মো: শাহজালাল
প্রকাশকাল : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ হয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের হিসাবে, এ সময়ে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বা তারা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ জন।

 

বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

 

পুলিশ সদর দপ্তর বলেছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিখোঁজ শিশুদের পরবর্তী অবস্থা—কতজন উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে—এ–সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। ফলে শিশু নিখোঁজের পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রকাশিত হয়নি এবং এ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।

 

পুলিশ সদর দপ্তর স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী ৪৭৪ শিশুর নিখোঁজের জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, এখনো নিখোঁজ ৬৮ জন।

 

অন্যদিকে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১৫ হাজার ২৪৩ শিশুর নিখোঁজের জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জন উদ্ধার হয়েছে এবং ১ হাজার ৯৭০ জন এখনো নিখোঁজ। সব মিলিয়ে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ মোট নিখোঁজ শিশুর প্রায় ১৩ শতাংশ এখনো নিখোঁজ।

নিখোঁজ হওয়ার কারণ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলে। পরিবারের সদস্যদের নাম ও ঠিকানা বলতে না পারা এবং একা বাড়ি ফেরার সময় অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণেও তারা নিখোঁজ হয়।

১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের নিখোঁজ হওয়ার ক্ষেত্রে অভিমান, পড়াশোনার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার পর লজ্জায় পালিয়ে থাকা, স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের কাছ থেকে অর্থ বা অন্য সুবিধা আদায়ের চেষ্টা, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাবের মতো কারণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অনলাইন জিডিতে বাড়ছে সংখ্যা

পুলিশ সদর দপ্তর বলেছে, পুলিশি সেবা সহজ করার অংশ হিসেবে বর্তমানে অনলাইন জিডির সুবিধা চালু রয়েছে। এর ফলে নিখোঁজ–সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

 

পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে নিখোঁজ–সংক্রান্ত জিডি হয়েছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ৪১৪। আর ২০২৫ সালে নিখোঁজ–সংক্রান্ত জিডি হয়েছে ২২ হাজার ৫৫০টি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category