ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ককটেল তৈরির বিপুল কাঁচামাল ও ৯ হাজার কাগজের মুখোশ উদ্ধার করেছে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইমন ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে শুক্রবার ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার বিকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন-দক্ষিণ) মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, জাহিদ হাসান ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল ও ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ককটেল মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ২০টি লাল কস্টেপ ও ১১টি কালো কস্টেপ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, একই অভিযানে তিনটি কার্টনে থাকা মোট ৯ হাজার কাগজের মুখোশ, মুখোশ পরার ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক এবং ককটেল তৈরির উপাদান গুঁড়া করার কাজে ব্যবহৃত জাইপান (Jaipan) ব্র্যান্ডের একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাতনামা এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় রাখা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ইমনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশের শাহবাগ ও লালবাগ থানায় পৃথক দুটি মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় ইমনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সম্প্রতি রাজধানীতে যেসব ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এর সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত ইমন জড়িত কিনা? জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই জড়িত। এই মুখোশগুলো তিনি নিজে তৈরি করেননি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ দলের কোনো বড় নেতার নির্দেশেই তাকে এসব সামগ্রী পাঠানো হয়েছিল।
ককটেল বিস্ফোরণের জন্য কি তিনি টাকা নিতেন? এমন প্রশ্নে তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, তিনি যেহেতু যুবলীগ নেতা, এর সঙ্গে অর্থের বিষয় থাকতে পারে, আবার তিনি নিজের ইচ্ছায়ও এসব করতে পারেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিতর্কিত নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমার কাছে মনে হয় এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত।
এর আগে সম্প্রতি রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে জুলাই গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ইস্যুতে এনসিপিসহ ১১দলীয় ঐক্যের রাজপথের আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই সময় কথার একপর্যায়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বলতে শোনা যায়, আমরা তো এই ৩ দাবিতে অনবরত রাজপথে আছি, সরকার তো এই দাবিগুলো মানছে না। ১১ দল জোটটা এই দাবিগুলো করে যাচ্ছে, এই দাবিগুলো মানলেই তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ককটেল তৈরির বিপুল কাঁচামাল ও ৯ হাজার কাগজের মুখোশ উদ্ধার করেছে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইমন ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে শুক্রবার ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার বিকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন-দক্ষিণ) মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, জাহিদ হাসান ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল ও ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ককটেল মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ২০টি লাল কস্টেপ ও ১১টি কালো কস্টেপ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, একই অভিযানে তিনটি কার্টনে থাকা মোট ৯ হাজার কাগজের মুখোশ, মুখোশ পরার ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক এবং ককটেল তৈরির উপাদান গুঁড়া করার কাজে ব্যবহৃত জাইপান (Jaipan) ব্র্যান্ডের একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাতনামা এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় রাখা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ইমনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশের শাহবাগ ও লালবাগ থানায় পৃথক দুটি মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় ইমনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সম্প্রতি রাজধানীতে যেসব ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এর সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত ইমন জড়িত কিনা? জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই জড়িত। এই মুখোশগুলো তিনি নিজে তৈরি করেননি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ দলের কোনো বড় নেতার নির্দেশেই তাকে এসব সামগ্রী পাঠানো হয়েছিল।
ককটেল বিস্ফোরণের জন্য কি তিনি টাকা নিতেন? এমন প্রশ্নে তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, তিনি যেহেতু যুবলীগ নেতা, এর সঙ্গে অর্থের বিষয় থাকতে পারে, আবার তিনি নিজের ইচ্ছায়ও এসব করতে পারেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিতর্কিত নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমার কাছে মনে হয় এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত।
এর আগে সম্প্রতি রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে জুলাই গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ইস্যুতে এনসিপিসহ ১১দলীয় ঐক্যের রাজপথের আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই সময় কথার একপর্যায়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বলতে শোনা যায়, আমরা তো এই ৩ দাবিতে অনবরত রাজপথে আছি, সরকার তো এই দাবিগুলো মানছে না। ১১ দল জোটটা এই দাবিগুলো করে যাচ্ছে, এই দাবিগুলো মানলেই তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।